Home

বিশুদ্ধ যবের ছাতু

বিশুদ্ধ যবের ছাতুর পরিচিতিঃ

যবের ছাতুর ইসলামিক নাম তালবীনা। যব হলো এক ধরনের শস্য দানা।গ্রাম অঞ্চলে একে পায়রা বলে অবিহিত করে।যবের ছাতু কি এই প্রশ্নের উত্তর হলো।শস্য দানা কে ভেজে গুরো করে খাবার তৈরি করা হয়।আমাদের নবি হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) যাবের ছাতু অনেক পছন্দ করতেন।প্রাচিন কাল থেকেই বিশুদ্ধ যবের ছাতু অনেকে ওষুধ হিসাবে খেয়ে আসছে।
বিশুদ্ধ যবের ছাতুর পুষ্টি গুনতাঃ
পুষ্টি গুনে ভরপুর হওয়া ছাতুর উপকারিতা অনেক বেশি। বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে পুষ্টি গুনি ভরপুর থাকে।বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে কি কি আছে দেখুন।
১ প্রোটিন ১০০গ্রাম ছাতুতে ২০.৬ শতাংশ।
২ ফাইবার ১.৩ শতাংশ।
৩ ফ্যাট ৭.২ শতাংশ।
৪ কার্বোহাইড্রেট ১.৩৫ শতাংশ।
৫ ভুসি ২.৭ শতাংশ।
৬ ময়শ্চার ২.৯৫ শতাংশ।
৭ এনার্জি ৪০৬ ক্যালরি।


বিশুদ্ধ যবের ছাতুর উপকারিতাঃ
শস্য দানা থেকে তৈরি বলে বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে উপকারিতা অনেক বেশি। অর্গানিক বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে অনেক উপকারিতা।এতে প্রচুর পরিমানে খনিজ প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট থাকে।যা মানব দেহের জন্য খুবি উপকারী। যবের ছাতু খাওয়ার উপকারিতা জেনে নিন।
১ হজম শক্তি বৃদ্ধিতেঃ বিশুদ্ধ যবের ছাতু দ্রুত হজম হয় এবং হজম শক্তি বাড়ায় এতে থাকা ফাইবার যা হজম শক্তি বৃদ্ধিতে ভুমিকা পালন করে।
২ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতেঃ বিশুদ্ধ যবের ছাতুর ভিষণ ভুমিকা রয়েছে। এতে থাকা খনিজ ও ভিটামিন মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ সচল রাখে।
৩ রক্ত চাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেঃপানিতে গুলিয়ে খেলে রক্ত চাপ কমে যাই। যাদের হাই প্রেসার আছে তারা নিয়মিত বিশুদ্ধ যবের ছাতু খেতে পারেন।এতে নির্দিষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকায় কোলেস্টেরল অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
৪ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণেঃ বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স শর্করা বেড়ে যাওয়ায় ভয় থাকে না। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।তাছাড়া এটি পেটে চর্বি ও অন্য সকল খারাপ উপাদান বের করে আনে।তবে এটি খেয়ে চিনি জাতীয় জিনিস খাওয়া যাবে না।
৫ মাসিকের সমস্যার সমাধানেঃ বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে আছে প্রচুর পরিমানে খনিজ ও ভিটামিন যা শরিরের শক্তি বৃদ্ধি করে থাকে মাসিকের সময় পুষ্টি ঘাটতি পুরন হয়।
৬ শরির ঠান্ডা ও শক্তি বাড়াঃছাতু প্রচুর পরিমানে পানি শোষণ করে রাখে যার ফলে বিশুদ্ধ যবের ছাতু খেলে শরির ঠান্ডা থাকে।তাছাড়া দ্রুত হজম হয় বলে এটি দ্রুত শরিলে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সেই সাথে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা সচল রাখতে সাহায্য করে।
৬ কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে উপকারিতাঃ এতে প্রচুর পরিমানে ফাইবার থাকার ফলে নিয়মিত এটি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্যা কমাতে সহায়তা করে। এই ফাইবার পেট পরিস্কার করতে অনেক উপকারিতা। একি সঙ্গে এটি পাকস্থলীতে থাকা তেল মশলা অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থ দূর করে দেয়। প্রতিদিন খাবারের সাথে যাওয়া তেল শরির থেকে বের করে এটি কার্যকরী।
৭ শিশুদের বিকাশেঃ শিশুদের শারীরিক ও মানষিক বিকাশে যে সকল খাদ্য উপাদানের প্রয়োজন তার সব গুলোই প্রায় বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে রয়েছে। তাই শিশুদের নিয়মিত এটি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। এতে দারুণ উপকার হবে।
৮ ত্বকের সৌন্দর্য ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়াতেঃ বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে প্রোটিন ও অন্টিঅক্সিডেন্টের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।এই দুটি ত্বক ও চুলের সৌন্দর্যতা বৃদ্ধিতে বিশেষ ভুমিকা পালন করে। এদিকে বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে থাকা ফাইবার শরিরের ক্ষতি কর উপদান গুলোকে বের করে দেয় এবং শরিরের ভিতরে যে পুষ্টি উপদান ঘাটতি রয়েছে তা পুরন করে। ফলে সাভাবিক ভাবেই ত্বক ও চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে।
৯ ববয়স্কদের জন্য উপকারীঃ
বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরিরের না না বিধি শারিরীক সমস্যা গুলো মাথা চড়া দিয়ে উঠেতে থাকে। এখানে ছাতু বিষেশ ভাবে উপকারি ভুমিকা পালন করে।একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যে নিয়মিত এটি খেলে শরিরে বিভিন্ন রোগ বাসা বাধতে পারে না। ফলে শেষ বয়সে রোগ মুক্ত থাকা যায়।
বিশুদ্ধ যবের ছাতু খাওয়ার অপকারিতাঃ
অপাদৃষ্টিতে বিশুদ্ধ যবের ছাতু খাওয়ার কোন অপকারিতা নেই।যেহেতু এটি সম্পুর্ন ভাবে ভেষজ তাই এটির কোন পার্শ প্রতিক্রিয়া নেই।তবে দিনের বেলায় এটি খাওয়া ভালো কেননা বিশুদ্ধ যবের ছাতুতে হজমের সমস্যা নেই।
পরিশেষেঃ
বিশুদ্ধ যবের ছাতু একটি উপকারী খাবার বর্তমান যুগে আধুনিক সময়ে ফাষ্টফুড আরালে মানুষ এই খাবারটির কথা ভুলেই গেছে প্রায়। ১ থেকে ১০০ বছরের সাবাই এই খাবারটি গ্রহণ করতে পারে।নিজেদের সুসাস্হতা নিশ্চিত করতে পারে।

অগ্রিম ১ টাকা পেমেন্ট ছাড়াই অর্ডার করুন। কোন রকমের ঝামেলা ছাড়াই।

☎️যেকোনো প্রয়োজনে কল করুন: 01401910909